বাইনারী ফুল এবং হলোগ্রাফিক ঈশ্বর
চোখের ভেতরে যে পরজীবী শামুক জেনে গ্যাছে তাঁর আয়ু
অথচ এই বিখণ্ডনের পাশে সম্যক দশা জুড়ে মৌন মেপল
ভিন্ন তলে অবস্থিত ও দুইটি পৃথক দৃশ্য তৈরি করো এ কেমন পরকলা,
যেনো নির্লিপ্ত খরখোশ;জেনো,তুমি উজ্জ্বল তাই তোমার আপাত মান কম
অথচ এই বিখণ্ডনের পাশে সম্যক দশা জুড়ে মৌন মেপল
ভিন্ন তলে অবস্থিত ও দুইটি পৃথক দৃশ্য তৈরি করো এ কেমন পরকলা,
যেনো নির্লিপ্ত খরখোশ;জেনো,তুমি উজ্জ্বল তাই তোমার আপাত মান কম
ক্রাতিবৃত্তের লয়ে ব্যঁজনা স্মারক বাইনারী ফুল এবং আদ্রক যেনো পুরঁজন গোলাপ
এবং অন্ধদের মতো শব্দ শুনে অনুমান করতে চাই,কে আমি!
তুমি এই নিঃসরণ দ্রোণী সর পড়ে আছো পতিমুখে
স্ব-সঙ্গচ্যুত আমি,অথচ,পরজীবী হয়ে শোভা পাচ্ছি আপণিকের মতো স্বচ্ছ।
এবং অন্ধদের মতো শব্দ শুনে অনুমান করতে চাই,কে আমি!
তুমি এই নিঃসরণ দ্রোণী সর পড়ে আছো পতিমুখে
স্ব-সঙ্গচ্যুত আমি,অথচ,পরজীবী হয়ে শোভা পাচ্ছি আপণিকের মতো স্বচ্ছ।
প্রাকভূমিরূপ নদীর মতো বিবৃদ্ধি আমার অথচ ঈশ্বরের মতো নদ
আমার আত্মার সন্তরণের পর থার্মোমিটারে ধরা পড়ে না হারমোনিকার সুর।
আমার আত্মার সন্তরণের পর থার্মোমিটারে ধরা পড়ে না হারমোনিকার সুর।
পয়োধরকূপে তুমি পুষ্প যেনো অপেক্ষায় আছো গর্ভস্বরের,
নিবেদন হও তন্ময় তুমি — সপ্রতিভ,এই যে প্রতিপদার্থ ফুল—
তূর্যনিনাদে ফুটে আছো,আসক্তি সমস্ত লয় সমস্ত গভীর গহ্বরে আন্দোলিত হচ্ছো অমরতায়
নিবেদন হও তন্ময় তুমি — সপ্রতিভ,এই যে প্রতিপদার্থ ফুল—
তূর্যনিনাদে ফুটে আছো,আসক্তি সমস্ত লয় সমস্ত গভীর গহ্বরে আন্দোলিত হচ্ছো অমরতায়
জেনেছি— তোমাকে অস্বীকার করে তোমার স্বরেই কথা বলি।
পিতা
নদীর রক্তের ভেতরে ঋণাত্মক যে পথ বোধে’—
অগ্রসর দৃষ্টি সম্মুখে ধীরে ভাঁসছে মায়াস্তরের শীতকাল
বাঁকের গভীরে আলোকস্তব্ধ দেহ যেনো সত্য নয় ঈথর
অগ্রসর দৃষ্টি সম্মুখে ধীরে ভাঁসছে মায়াস্তরের শীতকাল
বাঁকের গভীরে আলোকস্তব্ধ দেহ যেনো সত্য নয় ঈথর
উপলব্ধি এবং শোকবোধ উৎস থেকে—
মগজে ধারণকৃত ছায়াছাপে যতোটা রঙ কালো বর্ণের
তারপর উজ্জ্বল স্যাটার্ন,ভ্রূণ থেকে যে সত্য এবং দর্শন
মগজে ধারণকৃত ছায়াছাপে যতোটা রঙ কালো বর্ণের
তারপর উজ্জ্বল স্যাটার্ন,ভ্রূণ থেকে যে সত্য এবং দর্শন
তুঁত
জিহ্বার অন্তরঙ্গ ব্যবহারের পর,অন্তস্ত্বকের স্বাদ নিতে গিয়ে টের পাচ্ছি— কয়েকটি দূরবীন দূরবদ্ধ দৃষ্টি নিয়ে তাঁকিয়ে আছে,আমার দিকে,ফলতঃ এই প্রসূনের নিনাদে— সমস্ত আয়াতের পাতন পারদ থেকে সৃষ্টি।স্পর্শগ্রাহ্য রণনাদ এ,সমগ্র তুহিনের পরে সরলপথে চলে প্রসন্ন জোলাপ।কনীনিকা থেকে সুকৃতের থেকে চলে গেলে ঢেউ বিপুলা পৃথিবীতে পড়ে থাকে নিশুতির দেহ,জেনেছি— তুঁতের অধিক ঘ্রাণ থাকে না প্রাণে।
